আজকাল বেশিরভাগ মানুষ ফোন থেকেই সব কিছু করেন — অফিসের কাজ থেকে শুরু করে বিনোদন পর্যন্ত। বেটিংও এর ব্যতিক্রম নয়। NBetway এটা বুঝেছে অনেক আগেই। তাই তারা এমন একটি অ্যাপ তৈরি করেছে যেটা ব্যবহার করে মনে হয় যেন কোনো প্রিমিয়াম গেমিং কনসোল ব্যবহার করছেন — তবে এটা আপনার ফোনেই।
ব্রাউজার বনাম অ্যাপ — পার্থক্য কোথায়?
ব্রাউজারেও NBetway ব্যবহার করা যায়, এটা ঠিক। কিন্তু অ্যাপে কিছু জিনিস পাবেন যা ব্রাউজারে নেই। যেমন — পুশ নোটিফিকেশন। ম্যাচ শুরুর আগে, জ্যাকপট ট্রিগার হলে, বা আপনার জন্য বিশেষ বোনাস অফার আসলে অ্যাপ নিজেই আপনাকে জানাবে। এছাড়া অ্যাপের লোডিং স্পিড অনেক বেশি। ৩G কানেকশনেও লাইভ ম্যাচের অডস ঝামেলামুক্তভাবে আপডেট হতে থাকে।
আরেকটা বড় পার্থক্য হলো নিরাপত্তা। NBetway অ্যাপে Fingerprint বা Face ID দিয়ে লগইন করা যায়। এতে পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা নেই এবং অন্য কেউ আপনার ফোন হাতে পেলেও অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পারবে না।
বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কথা মাথায় রেখে তৈরি
NBetway অ্যাপ ডিজাইন করার সময় বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের কথা আলাদাভাবে ভাবা হয়েছে। এখানে পেমেন্ট মেথডের তালিকায় সবার আগে আছে বিকাশ, নগদ ও রকেট। আলাদা কোনো ঝামেলা ছাড়াই মোবাইল ব্যাংকিং থেকে ডিপোজিট ও উইথড্র করা যায়।
অ্যাপের ভাষাও বাংলায় ব্যবহার করা যায়। যারা ইংরেজিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না তাদের জন্য এটা বড় সুবিধা। সাপোর্ট চ্যাটেও বাংলায় কথা বলা যায় — ২৪ ঘণ্টাই।
ডেটা ব্যবহার কম, পারফরম্যান্স বেশি
NBetway অ্যাপ ডেটা সেভিং মোডে চলে। এর মানে হলো দুর্বল ইন্টারনেট কানেকশনেও অ্যাপ মসৃণভাবে কাজ করে। সিলেট বা পাহাড়ি অঞ্চলে যেখানে নেটওয়ার্ক একটু দুর্বল, সেখানেও খেলতে কোনো সমস্যা হয় না। লাইভ ম্যাচের স্কোর আপডেটও খুব কম ডেটায় আসে।
অ্যাপ ইন্সটল করার পরে প্রথমবার খুললে একটা ছোট অনবোর্ডিং ট্যুর দেওয়া হয় — কোথায় কী আছে সব দেখিয়ে দেয়। নতুন ব্যবহারকারীদের জন্য এটা অনেক কাজের।
সব মিলিয়ে, NBetway অ্যাপ শুধু একটি বেটিং টুল নয় — এটি বাংলাদেশের মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি একটি সম্পূর্ণ গেমিং সঙ্গী। একবার ডাউনলোড করলে ব্রাউজারে ফিরে যেতে মন চাইবে না।